‘বাঘ’ নিয়ে সুন্দরবন রক্ষার দাবি খুলনায়

দৈনিক প্রথম আলো
খুলনা অফিস | ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৬
দুই পাশে দুই শাবক নিয়ে মা বাঘ বসে আছে। পেছনে ব্যানারে লেখা ‘তোমাদের বিদ্যুতের জন্য আমাদের আবাস ধ্বংস করো না’।

গতকাল বৃহস্পতিবার খুলনা শহরের শহীদ হাদিস পার্কে বাঘের তিনটি প্রতিকৃতি নিয়ে অভিনব এক প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে কয়েকটি সংগঠন। সুন্দরবনের পাশে বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ দূষণকারী শিল্পকারখানা বন্ধের দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্ম জোট (ক্লিন), ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) যৌথ উদ্যোগে এ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন ক্লিন-টিআইবি-সনাক ওয়ার্কিং গ্রুপের আহ্বায়ক কুদরত-ই-খুদা। পরিচালনা করেন ক্লিনের প্রধান নির্বাহী হাসান মেহেদী।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, সুন্দরবন-সংলগ্ন এলাকাগুলোতে একের পর এক শিল্পকারখানা গড়ে উঠছে। প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার পাশেই রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র ছাড়াও ওরিয়ন বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিমেন্ট ফ্যাক্টরি, এলপিজি প্ল্যান্ট, খাদ্যগুদামসহ প্রায় দেড় শ শিল্পপ্রতিষ্ঠান সুন্দরবনের অস্তিত্বকেই হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। সুন্দরবনের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকাসহ (ইসিএ) সংলগ্ন ভূমিতে দেড় শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্মিত হয়েছে বা হতে যাচ্ছে।

লিংক : http://m.prothom-alo.com/bangladesh/article/965305/%E2%80%98%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%98%E2%80%99-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F

‘আমাদের আবাসস্থল ধ্বংস করো না’

Daily সূবর্ণভূমি : www.subornobhumi.com
01 September 2016
 খুলনা অফিস : মা বাঘ দুটো বাচ্চা নিয়ে বসে আছে। তাদের পেছনে ব্যানার। সেখানে আহ্বান জানানো হচ্ছে, ‘তোমাদের বিদ্যুতের জন্য আমাদের আবাসস্থল ধ্বংস করো না।’ ব্যানার ধরে দাঁড়িয়েছেন তরুণ পরিবেশকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিগণ। পেছনের পটভূমিতে জাতির গৌরবের প্রতীক শহীদ মিনার।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে শহীদ মিনারের পাদদেশে এভাবেই সুন্দরবনের পাশে বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ দুষণকারী শিল্প কারখানা বন্ধ করার দাবি জানালো সুন্দরবনের বেঙ্গল টাইগার।

উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন), ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-এর যৌথ উদ্যোগে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। ক্লিন-টিআইবি-সনাক ওয়ার্কিং গ্রুপের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদার সভাপতিত্বে কর্মসূচি পরিচালনা করেন হাসান মেহেদী।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, সুন্দরবন-সংলগ্ন এলাকাগুলোতে একের পর এক গড়ে উঠছে শিল্প-কারখানা। প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকার পাশেই রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র ছাড়াও ওরিয়ন বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিমেন্ট ফ্যাক্টরি, এলপিজি প্ল্যান্ট, খাদ্যগুদামসহ প্রায় দেড়শ’ শিল্প প্রতিষ্ঠান সুন্দরবনের অস্তিত্বকেই হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। সুন্দরবনের প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকা (ইসিএ)-সহ সংলগ্ন ভূমিতে দেড় শতাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান নির্মিত হয়েছে বা হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে তেলবাহী ট্যাঙ্কার, গম, সার ও কয়লাবাহী জাহাজডুবির কারণে সুন্দরবনের অস্তিত্ব নিয়ে নানারকম আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এরপর যত্রতত্র অপরিণামদর্শী দুষণকারী শিল্প-প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হলে সুন্দরবনের উপর তার অমোচনযোগ্য বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। এ অবস্থায় দ্রুততর সময়ের মধ্যে পরিবেশ আইন, বন আইন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বক্তারা বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ শিল্প-কারখানা নিয়ন্ত্রণ ও বন্ধ করার দাবি জানান।

বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশের অন্যান্য বনের তুলনায় সুন্দরবনের বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ আলাদা। তাই সাধারণ বন সংরক্ষণের আইন দিয়ে বাদাবন সংরক্ষণ করা যাবে না। বক্তারা সুন্দরবন সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য স্বতন্ত্র আইন প্রণয়নের দাবি জানান।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা এমএ হালিম, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-এর মনোয়ারা বেগম, মাসাস-এর নির্বাহী পরিচালক শামীমা সুলতানা শিলু, অপরাজেয়-বাংলাদেশ’র মাহবুব আলম প্রিন্স, টিআইবির এরিয়া ম্যানেজার ফিরোজ উদ্দীন, স্বজন-এর এসকে সাহা, জেসমিন জালান, ফটোগ্রাফার সাঈদা ফারহানা, ইয়েস-এর সুস্মিত সরকার, মামুনুর রশীদ, আসাদুজ্জামান, ক্লিন-এর নাসিম রহমান কিরণ, সুবর্ণা ইসলাম দিশা, রেজাউল করিম জিতু, মাঈনুল ইসলাম সাকিব প্রমুখ।

লিংক : http://www.subornobhumi.com/view/%E2%80%98%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%B2-%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%82%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E2%80%99/4789

সুন্দরবন রক্ষার দাবিতে অভিনব প্রতিবাদ

বাংলা ট্রিবিউন
খুলনা প্রতিনিধি, সেপ্টেম্বর ০১, ২০১৬
মা বাঘ দুটো বাচ্চা নিয়ে বসে আছে। তাদের পেছনে ব্যানারে আহ্বান ‘তোমাদের বিদ্যুতের জন্য আমাদের আবাস ধ্বংস করো না।’ ব্যানার ধরে দাঁড়িয়েছেন তরুণ পরিবেশ কর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। পেছনের পটভূমিতে জাতির গৌরবের প্রতীক শহীদ মিনার।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে এভাবেই সুন্দরবনের পাশে বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ দূষণকারী শিল্প কারখানা বন্ধ করার দাবি জানালো সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন), ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-এর যৌথ উদ্যোগে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। ক্লিন-টিআইবি-সনাক ওয়ার্কিং গ্রুপের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদার সভাপতিত্বে কর্মসূচিটি পরিচালনা করেন ক্লিন-এর প্রধান নির্বাহী হাসান মেহেদী।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকাগুলোতে একের পর এক গড়ে উঠছে শিল্প-কারখানা। প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকার পাশেই রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র ছাড়াও ওরিয়ন বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিমেন্ট ফ্যাক্টরি, এলপিজি প্ল্যান্ট, খাদ্য গুদামসহ প্রায় দেড়শ শিল্প প্রতিষ্ঠান সুন্দরবনের অস্তিত্বকেই হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। সুন্দরবনের প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকা (ইসিএ)-সহ সংলগ্ন ভূমিতে দেড় শতাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান নির্মিত হয়েছে বা হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে তেলবাহী ট্যাঙ্কার, গম, সার ও কয়লাবাহী জাহাজ ডুবির কারণে সুন্দরবনের অস্তিত্ব নিয়ে নানা রকম আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এরপরও যত্রতত্র শিল্প-প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হলে ব্যাপক হুমকির মুখে পড়বে সুন্দরবনের পরিবেশ। এ অবস্থায় দ্রুত পরিবেশ আইন, বন আইন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের আওতায় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বক্তারা  সুন্দরবন সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য স্বতন্ত্র আইন প্রণয়নেরও দাবি জানান।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা এম এ হালিম, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-এর মনোয়ারা বেগম, মাসাস- এর নির্বাহী পরিচালক শামীমা সুলতানা শিলু, অপরাজেয়-বাংলাদেশে’র মাহবুব আলম  প্রিন্স, টিআইবি’র এরিয়া ম্যানেজার ফিরোজ উদ্দীন, প্রমুখ।

‘তোমাদের বিদ্যুতের জন্য আমাদের আবাস ধ্বংস করো না’

দৈনিক ইনকিলাব
২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

খুলনা ব্যুরো : মা বাঘ দুটো বাচ্চা নিয়ে বসে আছে। তাদের পেছনে ব্যানার। সেখানে আহ্বান জানানো হচ্ছে ‘তোমাদের বিদ্যুতের জন্য আমাদের আবাস ধ্বংস করো না’।

ব্যানার ধরে দাঁড়িয়েছেন তরুণ পরিবেশকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিগণ। পেছনের পটভূমিতে জাতির গৌরবের প্রতীক শহীদ মিনার। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে এভাবেই সুন্দরবনের পাশে বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ দূষণকারী শিল্পকারখানা বন্ধ করার দাবি জানালো সুন্দরবনের বেঙ্গল টাইগার।

উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন), ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-এর যৌথ উদ্যোগে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। ক্লিন-টিআইবি-সনাক ওয়ার্কিং গ্রুপের আহ্বায়ক এ্যাড. কুদরত-ই-খুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিটি পরিচালনা করেন ক্লিন’র প্রধান নির্বাহী হাসান মেহেদী।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা এমএ হালিম, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-এর মনোয়ারা বেগম, মাসাস’র নির্বাহী পরিচালক শামীমা সুলতানা শিলু, অপরাজেয়-বাংলাদেশ’র মাহবুব আলম প্রিন্স, টিআইবি’র এরিয়া ম্যানেজার ফিরোজ উদ্দীন, স্বজন’র এস.কে সাহা, জেসমিন জালান, স্বাধীন ফটোগ্রাফার সাঈদা ফারহানা, ইয়েস’র সুস্মিত সরকার, মামুনুর রশীদ, আসাদুজ্জামান, ক্লিন’র নাসিম রহমান কিরন, সুবর্ণা ইসলাম দিশা, রেজাউল করিম জিতু ও মাঈনুল ইসলাম সাকিব প্রমুখ।

সুন্দরবন রক্ষার দাবিতে খুলনায় মানববন্ধন

দৈনিক কালের কণ্ঠ
খুলনা অফিস, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
প্রতীকী বাঘ ও শাবককে সামনে রেখে সুন্দরবন রক্ষায় ব্যতিক্রম মানববন্ধন করেছে উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন), ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, সুন্দরবনের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকাসহ (ইসিএ) সংলগ্ন ভূমিতে দেড় শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্মিত হয়েছে বা হতে যাচ্ছে। এভাবে একের পর এক শিল্প-কারখানা, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র, ওরিয়ন বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবনের অস্তিত্বকেই হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। তাই অবিলম্বে এগুলো বন্ধ করতে হবে।

ক্লিন-টিআইবি-সনাক ওয়ার্কিং গ্রুপের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিটি পরিচালনা করেন ক্লিনের প্রধান নির্বাহী হাসান মেহেদী। বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা এম এ হালিম, মনোয়ারা বেগম, শামীমা সুলতানা শিলু, মাহবুব আলম প্রিন্স, ফিরোজ উদ্দীন, এস কে সাহা, জেসমিন জালান, সাঈদা ফারহানা, সুস্মিত সরকার, মামুনুর রশীদ, আসাদুজ্জামান, ক্লিনের নাসিম রহমান কিরন, সুবর্ণা ইসলাম দিশা, রেজাউল করিম জিতু, মাঈনুল ইসলাম সাকিব প্রমুখ।

প্রাকৃতিক সম্পদের মালিক জনগণ, সুন্দরবনের জন্য ক্ষতিকর উদ্যোগ ঠেকাতে জনগণকেই এগিয়ে আসতে হবে

সুন্দরবন সমাচার
১৫ মার্চ ২০১৬
—————
Meet the Press of Indian representatives in Sundarbans Long March

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দূষণ মাত্রা অনেক ও বহুমুখী। এর ফলে সুন্দরবনের প্রতিবেশ হুমকির মুখে পড়তে পারে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে ভারতের কিছু এলাকার জনসাধারণ ইতোমধ্যে তাদের জীবিকা হারিয়েছে, পরিবেশ নষ্ট হয়েছে। এ কারণেই জনগণের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা উচিৎ এবং যৌথ আন্দোলন গড়ে তোলা উচিৎ।

তবে দেশে শিল্পায়নের কোন বিকল্প নেই। দেশের অগ্রগতি ও গণমানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অবশ্যই বিভিন্ন শিল্প-কারখানা গড়ে তুলতে হবে। আর শিল্প এবং কৃষির আধুনিকায়নের জন্য প্রয়োজন জ্বালানী অর্থাৎ বিদ্যুৎ। সে ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবশ্যই গড়ে তুলতে হবে, তবে লক্ষ্য রাখতে হবে দুষণের মাত্রা যেন পরিবেশের সর্বনাশ করতে সক্ষম না হয়, যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
মনে রাখতে হবে বিদেশী এজেন্ট উন্নয়ন বিরোধীরাও তৎপর, যারা উন্নয়নের বিপরিতে পরিবেশ-প্রতিবেশ’র দরদী হতে চায় আবার (ব্যক্তিসার্থে) লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে বিদেশী রাষ্ট্রকে সিসমিক সার্ভের অনুমতি দিতে প্রত্যক্ষ সমর্থন দিয়ে পরিবেশের সর্বনাশ ডেকে আনে। এরা স্বাধীনতার পর পর সমাজতন্ত্রের নামে দেশে সকল প্রকার বিনিয়োগ বন্ধের সিদ্ধান্ত দিয়েছিলো। ফলে সদ্যজাত বাংলাদেশ হয়ে পড়ে শিল্পোন্নত দেশের বাজার মাত্র। দেশ পিছিয়ে পড়ে বহুযুগ। আবার দেশের আকাশে দেখা দিয়েছে পুরোনো শকুণ!
আজ খুলনা প্রেস ক্লাবের শহীদ হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ দল, উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট, সর্বভারতীয় বনকর্মী ইউনিয়ন, সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড পার্টিসিপেটরি রিসার্চ (সিইপিআর), ভারত বিজ্ঞান যাত্রা, দিল্লি সলিডারিটি গ্রুপ, মাচ্ছিমার অধিকার সংগঠন (ম্যাস) ও জাতীয় মৎস্যজীবী ফোরাম কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে “কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও উপকূলীয় প্রতিবেশ” শীর্ষক আলোচনা সভায় ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা এ কথা বলেন।
আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন প্রতিনিধি দলের সদস্য ও সর্বভারতীয় বনকর্মী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অশোক চৌধুরী, উপ-সম্পাদক রোমা মালিক, ভারত জন-বিজ্ঞান যাত্রার আহ্বায়ক সৌম্য দত্ত, কেরালার জাতীয় মৎস্যজীবী ফোরামের ম্যাগলিন পিটার, গুজরাটের মাচ্ছিমার অধিকার সংঘর্ষ সংগঠন (ম্যাস)’র ভারত প্যাটেল, উত্তর প্রদেশের উমেশ বাবু, উড়িষ্যার শীলা মহাপাত্র, কেরালার মাজু ভারগেসে, মধ্য প্রদেশের রাজেশ কুমার ও মহারাষ্ট্রের আয়েশা ডি’সুজা। আলোচনা সভার সঞ্চালক ছিলেন উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন)’র প্রধান নির্বাহী হাসান মেহেদী।
আলোচনায় অংশ নিয়ে ম্যাস’র ভারত প্যাটেল বলেন, গুজরাটের কচ্ছ উপসাগরের তীরে প্রথমে মাত্র ৩০০ মেগাওয়াটের একটি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উত্তপ্ত পানির কারণে উপকূল মৎস্যশূন্য হয়ে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ তাদের জীবিকা হারিয়েছে। অপরদিকে কর্মসংস্থান হয়েছে মাত্র ২শ’ মানুষের। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা সরবরাহের জন্য তৈরি করা হয়েছে বিশেষ বন্দর। বন্দরের জাহাজের শব্দ ও দুষণে নষ্ট হয়ে গেছে এলাকার পরিবেশ। বিদ্যুৎকেন্দ্রের উপর নির্ভর করে গড়ে ওঠা শিল্প-কারখানার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে আরো বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ৩০০ একর জায়গা নিয়ে শুরু করলেও এখন ১২০ কিলোমিটার ব্যাপী দুষণকারী কারখানা আর বিদ্যুৎকেন্দ্রে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। কেরালার মৎস্যজীবী ফোরামের ম্যাগলিন পিটার বলেন, আদানী ও আম্বানি গ্রুপের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে হাজার হাজার জেলে তাদের জীবিকা হারিয়েছে।
সর্বভারতীয় বনকর্মী ইউনিয়নের অশোক চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রীয় সংস্থা হিশেবে ভারতের জাতীয় তাপবিদ্যুৎ কোম্পানি (এনটিপিসি)’র দায়িত্ব হলো নিজ দেশের জনসাধারণকে বিদ্যুৎ পরিষেবা প্রদান করা। অন্য দেশে মুনাফার জন্য কোম্পানি তৈরি করার কোনো অধিকার এ সংস্থার নেই। ভারত জন-বিজ্ঞান যাত্রার সৌম্য দত্ত বলেন, ভারত-বাংলাদেশের একটাই সুন্দরবন। এর কোনো একটি অংশে নেতিবাচক প্রভাব পড়লে অপর অংশও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ভারতীয় কোম্পানি যদি সেই ক্ষতির জন্য দায়ী হয় তাহলে উদ্যোগ নিতে হবে যৌথভাবে। সেখানে ভারতীয় জনগণ নিজ কোম্পানিকে প্রতিরোধ করার জন্য কাজ করবেন, বাংলাদেশ কাজ করবে নিজ প্রতিবেশ রক্ষার জন্য। রোমা মালিক বলেন, সমৃদ্ধ দক্ষিণ এশিয়ার প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট করে মুষ্টিমেয় ধনী কোম্পানিগুলো মুনাফার পাহাড় গড়ছে। এর বিরুদ্ধে দক্ষিণ এশীয় জনসাধারণের সম্মিলিতভাবে প্রতিবাদ জানাতে হবে। তাই জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
আলোচনা সভায় আরো আলোচনা করেন, হিউম্যানিটিওয়াচ’র শরিফুল ইসলাম সেলিম, শিশুস্বর্গ খেলাঘর আসরের মাইনুল ইসলাম সাকিব, ক্লিন’র রেজাউল করিম জিতু, সুবর্ণা ইসলাম দিশা, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাকিবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দী।

সুন্দরবনের জন্য ক্ষতিকর উদ্যোগ ঠেকাতে দুই দেশের জনগণের ঐক্য দরকার প্রাকৃতিক সম্পদের মালিক জনগণ, তা বাঁচাতে জনতারই এগিয়ে আসতে হবে

Voice of Satkhira
মার্চ ১৫, ২০১৬
———————
খুলনা, ১৫ মার্চ ২০১৬ : কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষতির মাত্রা ভয়াবহ। এর ফলে সুন্দরবনের সঙ্কটাপন্ন প্রতিবেশ আরো হুমকির মুখে পড়বে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে ভারতের কিছু এলাকার জনসাধারণ ইতোমধ্যে তাদের জীবিকা হারিয়েছে, পরিবেশ নষ্ট হয়েছে এবং এ কারণে আদালত অনেকগুলো বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। এ কারণেই জনগণের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা উচিৎ এবং যৌথ আন্দোলন গড়ে তোলা উচিৎ। আজ (১৫ মার্চ ২০১৬, মঙ্গলবার) খুলনা প্রেসক্লাবের শহীদ হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ দল, উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন), সর্বভারতীয় বনকর্মী ইউনিয়ন, সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড পার্টিসিপেটরি রিসার্চ (সিইপিআর), ভারত বিজ্ঞান যাত্রা, দিল্লি সলিডারিটি গ্রুপ, মাচ্ছিমার অধিকার সংঘর্ষ সংগঠন (ম্যাস) ও জাতীয় মৎস্যজীবী ফোরাম কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে “কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও উপকূলীয় প্রতিবেশ” শীর্ষক আলোচনা সভায় ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা এ কথা বলেন।

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ দলের আহ্বায়ক গৌরাঙ্গ নন্দীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন প্রতিনিধি দলের সদস্য ও সর্বভারতীয় বনকর্মী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অশোক চৌধুরী, উপ-সম্পাদক রোমা মালিক, ভারত জন-বিজ্ঞান যাত্রার আহ্বায়ক সৌম্য দত্ত, কেরালার জাতীয় মৎস্যজীবী ফোরামের ম্যাগলিন পিটার, গুজরাটের মাচ্ছিমার অধিকার সংঘর্ষ সংগঠন (ম্যাস)-এর ভারত প্যাটেল, উত্তর প্রদেশের উমেশ বাবু, উড়িষ্যার শীলা মহাপাত্র, কেরালার মাজু ভারগেসে, মধ্য প্রদেশের রাজেশ কুমার ও মহারাষ্ট্রের আয়েশা ডি’সুজা। আলোচনা সভার সঞ্চালক ছিলেন উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিন)-এর প্রধান নির্বাহী হাসান মেহেদী।

আলোচনায় অংশ নিয়ে ম্যাস-এর ভারত প্যাটেল বলেন, গুজরাটের কচ্ছ উপসাগরের তীরে প্রথমে মাত্র ৩০০ মেগাওয়াটের একটি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উত্তপ্ত পানির কারণে উপকূল মৎস্যশূন্য হয়ে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ তাদের জীবিকা হারিয়েছে। অপরদিকে কর্মসংস্থান হয়েছে মাত্র ২শ’ মানুষের। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা সরবরাহের জন্য তৈরি করা হয়েছে বিশেষ বন্দর। বন্দরের জাহাজের শব্দ ও দুষণে নষ্ট হয়ে গেছে এলাকার পরিবেশ। বিদ্যুৎকেন্দ্রের উপর নির্ভর করে গড়ে ওঠা শিল্প-কারখানার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে আরো বিদ্যুৎকেন্দ্র। মাত্র ৩০০ একর জায়গা নিয়ে শুরু করলেও এখন ১২০ কিলোমিটার ব্যাপী দুষণকারী কারখানা আর বিদ্যুৎকেন্দ্রে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা। কেরালার মৎস্যজীবী ফোরামের ম্যাগলিন পিটার বলেন, আদানী ও আম্বানি গ্রুপের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে হাজার হাজার জেলে তাদের জীবিকা হারিয়েছে। অথচ তাদেরকে কয়েক লাখ কর্মদিনের চাকরির লোভ দেখানো হয়েছিলো। পরবর্তীতে দেখা গেল, ১০ হাজার মানুষের মাত্র ২ মাসের কর্মসংস্থান হয়েছে।

সর্বভারতীয় বনকর্মী ইউনিয়নের অশোক চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রীয় সংস্থা হিশেবে ভারতের জাতীয় তাপবিদ্যুৎ কোম্পানি (এনটিপিসি)’র দায়িত্ব হলো নিজ দেশের জনসাধারণকে বিদ্যুৎ পরিষেবা প্রদান করা। অন্য দেশে মুনাফার জন্য কোম্পানি তৈরি করার কোনো অধিকার এ সংস্থার নেই। ভারত জন-বিজ্ঞান যাত্রার সৌম্য দত্ত বলেন, ভারত-বাংলাদেশের একটাই সুন্দরবন। এর কোনো একটি অংশে নেতিবাচক প্রভাব পড়লে অপর অংশও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ভারতীয় কোম্পানি যদি সেই ক্ষতির জন্য দায়ী হয় তাহলে উদ্যোগ নিতে হবে যৌথভাবে। সেখানে ভারতীয় জনগণ নিজ কোম্পানিকে প্রতিরোধ করার জন্য কাজ করবেন, বাংলাদেশ কাজ করবে নিজ প্রতিবেশ রক্ষার জন্য। রোমা মালিক বলেন, সমৃদ্ধ দক্ষিণ এশিয়ার প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট করে মুষ্টিমেয় ধনী কোম্পানিগুলো মুনাফার পাহাড় গড়ছে। এর বিরুদ্ধে দক্ষিণ এশীয় জনসাধারণের সম্মিলিতভাবে প্রতিবাদ জানাতে হবে। তাই জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।

আলোচনা সভায় আরো আলোচনা করেন, এনটিভি’র মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, বেলা’র মাহফুজুর রহমান মুকুল, মাছরাঙা টেলিভিশনের মোস্তফা জামাল পপলু, ওয়াটারকিপার্স-এর মানবেন্দ্র দেব, ছাত্র প্রতিনিধি কানাই মণ্ডল, দীপ্ত টেলিভিশনের ফারজানা ববি, দৈনিক পূর্বাঞ্চলের এইচএম আলাউদ্দীন, সাংবাদিক মাকসুদুর রহমান, এসএ টেলিভিশনের সুনীল দাস, গাজী শান্তনু কায়সার, একুশে টেলিভিশনের মহেন্দ্র নাথ সেন, হিউম্যানিটিওয়াচ-এর শরিফুল ইসলাম সেলিম, শিশুস্বর্গ খেলাঘর আসরের মাইনুল ইসলাম সাকিব, দৈনিক যুগান্তরের হেদায়েৎ হোসেন, বাংলানিউজ-এর মাহবুবুর রহমান মুন্না, দৈনিক তথ্যের নূর হাসান জনি, ক্লিন-এর রেজাউল করিম জিতু, সুবর্ণা ইসলাম দিশা প্রমূখ।

Bangladeshi protest intensifies against Rampal coal plant

CLIMATEHOME
The Sundarbans are home to 4 million people, as well as a rich range of wildlife (Flickr/Frances Voon)
Environmentalists have intensified protests in Bangladesh against a planned coal-fired power plant near the world’s largest mangrove forest.

The Communist Party of Bangladesh (CPB) and the Socialist Party of Bangladesh (SPB) recently concluded a 5-day “Road March to Save the Sundarbans” with a call to save the sensitive ecosystem.
A nationwide demonstration against the Rampal plant, which is located 14km from the World Heritage Site, is planned for 26 November.
Speaking at a press conference in capital Dhaka on Tuesday, CPB president Mojahidul Islam Selim threatened further action if the government does not stop work on the project by the end of the month.
In a country hungry for modern energy, campaigners are nonetheless rising up to protect the home of Bengal tigers and endangered Irrawaddy river dolphins.
“We are not against coal-based power plants, because we need power for development,” said Hasan Mehdi, executive director of Khulna-based Coastal Livelihood and Environmental Action Network (CLEAN). “But the question is why the power plant should be set up near the Sundarbans, a world heritage site? We have many places to set up such a coal-fired power plant.”
The proposed 1,320MW power station is a joint venture of national Bangladeshi and Indian companies. They are publishing advertisements in daily newspapers, insisting that Rampal poses no threat to the Sundarbans.
Nearly a third of Bangladeshis have no access to electricity and demand is increasing about 6% a year. Rampal would increase the country’s power capacity by more than 10%. At present, it has 12,000MW installed, mostly fuelled by natural gas. To cut dependency on gas in power generation, the government is planning to build eight large and 10 small coal-fired stations by 2021.
The Sundarbans are the world’s biggest mangrove forest, spanning the coastline of India and Bangladesh (Wikimedia Commons)
The National Committee to Protect Oil, Gas, Mineral Resources, Power and Port of Bangladesh is backing the counter-protest with a national convention in the capital on 14 November to mobilise public opinion in favour of the plant.
At a recent press conference in Dhaka, energy minister Nasrul Hamid claimed that modern ultra-super thermal technology would be used, so the plant would not pollute surrounding areas.
Green campaigners are not convinced.
Anu Muhammad, activist and economics professor at Jahangirnagar University, accused the government of spreading misinformation. “Defying all protests and refusing to hold a proper debate over the issue, the government is going ahead with the coal-fired power project. Once the project is implemented, it will destroy the Sundarbans,” he said.
The plant is expected to produce 750,000 tonnes of fly ash and 200,000 tonnes of bottom ash a year, according to the environmental impact assessment (EIA). This contains pollutants like sulphur, arsenic, mercury, lead, chromium and cadmium as well as greenhouse gas carbon dioxide.
An independent analysis of wind flows shows these toxic substances will blow into the mangroves, warned environmental science professor Abdullah Harun Chowdhury. “The Sundarbans will face a long-term impact. Physical growth of plants, their flowering and fruiting will be affected severely while breeding capacity of animal of the forest will be lost,” he said.
Transparency International has called for a fresh assessment involving international experts.
Bangladesh is one of the most vulnerable countries in the world to the impacts of climate change. With 31.5 million people living within a metre of sea level, rising oceans increase the risks of flooding. Mangroves provide a natural buffer against cyclones and storm surges.
Meanwhile, its citizens contribute little to the problem, with carbon emissions of 0.37 tonnes a head in 2011. The figure for India was 1.69t, by comparison, China 6.6t and the US 17t.

Indian green activists throw weight behind resistance to Rampal

Daily NewAge, March 16, 2016 12:12 am
Staff Correspondent
——————————————————————————————————
 

Roma Malik from All India Union of Forest Working People responding questions of the Journalists

An Indian delegation team of green activists on Tuesday stressed for unity of citizens to resist the harmful steps against the Sunderbans, especially the construction of a coal-based power plant near the mangrove forest.

Addressing a discussion on ‘Coal Based Power Plant and Coastal Ecology’ at Khulna Press Club in Khulna City, they said the Indian state-owned company, National Thermal Power Company, had no right to establish ventures in other countries to make a profit.

Sundarbans Watch Group, Coastal Livelihood and Environmental Action Network (CLEAN), All India Union of Forest Working People, Centre for Environment and Participatory Research, Bharat Jana Vigyan Jatha, Delhi Solidarity Group, Machhimar Adhikar Sangharsha Sangathan and National Fish Workers Forum jointly organised the discussion, according to a press release issued by the chief executive of CLEAN.

The discussion was arranged in Khulna only two days after conclusion of a five-day long March from Dhaka to Sunderbans by the National committee to protect oil, gas, mineral resources, power and ports, demanding plans for the coal-based thermal power plant in Rampal, Bagerhat, near the Sunderbans, is scrapped.

Addressing the discussion at Khulna Press Club, the Indian delegation team said that coal-based power plant near the Sundarbans would throw the mangrove forest’s ecology in serious danger. They also said people of some areas of India had lost their livelihood due to environmental degradation and, that is why, the Indian court closed the activities of many coal-based power plants there.

That is why, they said, the citizens of the two countries should calculate the probable losses and launch a joint movement against coal-based power plants.

All India Union of Forest Working People’s general secretary Ashok Chowdhury said, as a state owned organisation of India, the responsibility of the National Thermal Power Company is to provide the country’s people with service, and they had no right to establish a company in another country to make a profit.

The Union’s deputy secretary Roma Malik said a few rich companies had made a huge amount of money by destroying the rich natural resources in South Asia. ‘The relation among the people of the countries should be developed to resist them.’

Soumya Dutta of Bharat Jana-Vigyan Jatha said both Bangladesh and India have only one Sunderbans and if any of its part is affected, the impact falls on the other part.
‘If an Indian company is liable for that harm, the people of the two countries should work together. The Indian people will work to stop their company from taking up harmful actions, while Bangladeshi people will work for protecting their ecology.’

Bharat Patel of MASS said over 10 thousand people lost their livelihood for a 300-megawatt coal-based power plant on the bank of the Gulf of Kutch in the state of Gujarat of India as the area lost its fish due to the plants’ release of hot water. ‘Only 200 people, on the other hand, got jobs there.’

‘The environment of the area was polluted due to heavy sound and waste generated from the ships coming to a special port constructed for coal supply to the plant,’ he said.

Magline Peter of Kerala-based National Fish Workers Forum alleged that thousands of fishermen lost their jobs due to the nuclear power plant in Tamil Nadu, beside other coal-based power plants, though they promised to provide jobs for several lakhs working people.

‘Later,’ she said,’ about 10 thousand people were provided with only two-months’ work.’

Presided over by Sundarbans Watch Group convener Gouranga Nandy and moderated by CLEAN chief executive Hasan Mehedi, the discussion was also addressed by the Indian green activists’ delegation team members – Umesh Babu, Seela Mahapatra, Maju Varghese, Rajesh Kumar and Ayesha D’Souza, from different parts of India.

Link: http://newagebd.net/212044/indian-green-activists-throw-weight-behind-resistance-to-rampal/